চুক্তি সইয়ের পরই কী হরমুজ প্রণালি খুলবে

· Prothom Alo

যুদ্ধ বন্ধে একটি শান্তিচুক্তির বিষয়ে সম্মত হয়েছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। সবকিছু ঠিক থাকলে দুই পক্ষের মধ্যে আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে এ চুক্তি সই হওয়ার কথা।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, শুক্রবার চুক্তি সইয়ের পর বিশ্ববাণিজ্যের জন্য কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি জাহাজ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত হবে।

Visit esporist.org for more information.

যদিও আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘অবিলম্বে’ হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে। তাই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আশা করেছিলেন, চুক্তির বিষয়ে দুই পক্ষের সমঝোতার ঘোষণার পরপরই জলপথটি খুলে দেওয়া হতে পারে।

এএফপির খবরে বলা হয়, পরবর্তী সময়ে ট্রাম্প স্পষ্ট করেন যে চুক্তি সই হওয়ার পর হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে।

চুক্তির ১৪টি বিষয়ের বিস্তারিত প্রকাশ করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম। এতে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত মার্কিন নৌ অবরোধ প্রত্যাহারের বিষয়ও রয়েছে। বলা হয়েছে, চুক্তির ৩০ দিনের মধ্যে এই অবরোধ প্রত্যাহার করা হবে।

বৈশ্বিক জ্বালানি–বাণিজ্যের জন্য হরমুজ প্রণালি খুব গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ জ্বালানি তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহন করা হয়।

ট্রাম্প গতকাল রোববার বিকেলে নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে বলেন, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার পর জলপথটি স্থায়ীভাবে টোলমুক্ত থাকবে। অর্থাৎ এই প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে কোনো টোল দিতে হবে না।

হরমুজ প্রণালি খোলা, মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহারসহ যা যা থাকছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিতে

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, ২৮ মিনিটের এই টেলিফোন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চূড়ান্ত পারমাণবিক চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তিনি আবার সামরিক হামলা শুরু করবেন। অথবা যুক্তরাষ্ট্র ‘মধ্যপ্রাচ্যের অভিভাবক’ হিসেবে ভূমিকা নেবে। বিনিময়ে অঞ্চলটির রাজস্বের পাঁচ ভাগের এক ভাগ পাবে যুক্তরাষ্ট্র।

ইরানের সঙ্গে চুক্তিতে সম্মত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে ট্রাম্প তাঁর ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্ট দিয়েছেন। পোস্টে তিনি লিখেছেন, এই ‘মহান চুক্তি’ পুরো অঞ্চলে শান্তি ও নিরাপত্তা বয়ে আনবে।

চুক্তিতে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, বন্ধ হচ্ছে যুদ্ধ

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। ইরানও পাল্টা জবাব দেয়। ফলে অঞ্চলজুড়ে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে।

গত ১৩ এপ্রিল ইরানের বন্দরগুলোর ওপর নৌ অবরোধ আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। এর ফলে ইরানের বন্দরগুলোতে জাহাজের আসা-যাওয়া কার্যত বন্ধ হয়ে যায়।

ওয়াশিংটন–তেহরান সম্ভাব্য চুক্তির খসড়ায় কী আছে জানালেন ইরানের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা

Read full story at source