নেত্রকোনায় বিয়েতে সাউন্ড বক্সে গান বাজানো নিয়ে সংঘর্ষ, কলেজছাত্র নিহত

· Prothom Alo

নেত্রকোনায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে সাউন্ড বক্সে গান বাজানো ও ছবি তোলা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে ফয়সাল আহমেদ (১৯) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ সময় আরও অন্তত তিনজন আহত হন।

গতকাল সোমবার রাতে সদর উপজেলার চল্লিশা ইউনিয়নের বাবনিকোনা সংসদ বাজার মসজিদের সামনের সড়কে এ ঘটনা ঘটে।

Visit casino-promo.biz for more information.

নিহত ফয়সাল আহমেদ ওই এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে। তিনি নেত্রকোনার আবু আব্বাছ ডিগ্রি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।

এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বাবনিকোনা সংসদ বাজার এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দা ইদ্রিস মিয়ার মেয়ের বিয়ে ছিল। এ উপলক্ষে দিবাগত রাত পৌনে ১২টার দিকে সাউন্ড বক্স বাজানো ও ছবি তোলা নিয়ে ফয়সাল আহমেদ ও তাঁর কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে একই গ্রামের কামরুল ইসলামের ছেলে মাসুম মিয়ার কথা–কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে মাসুম মিয়া তাঁর পরিবারের লোকজন নিয়ে ফয়সাল আহমেদসহ অন্যদের ওপর হামলা চালান।

এতে ফয়সাল, তাঁর চাচাতো ভাই রবিন মিয়া, চাচা সাদেকুল ইসলাম ও চাচাতো ভাই উজ্জ্বল মিয়ার ছেলে সৌরভ মিয়া আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে নেত্রকোনা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফয়সাল ও সাদেকুলকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত আড়াইটার দিকে ফয়সাল মারা যান।

নিহত ফয়সালের চাচা সাদেকুল ইসলাম বলেন, ‘মাসুম মিয়া, তার বাবা কামরুল ইসলাম, চাচাতো ভাই রাজন মিয়া, রিয়াজ মিয়া, মিলন মিয়াসহ কয়েকজন লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়। হামলায় ফয়সাল নিহত হয়েছে, আমরা হাসপাতালে ভর্তি আছি। হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্যের জন্য মাসুম মিয়া ও অন্যদের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ফয়সালের মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে তাঁরা বাড়ি ছেড়ে পলাতক হয়েছেন।

নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সজল কুমার সরকার প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিয়ের অনুষ্ঠানে সাউন্ড বক্স বাজানো ও ছবি তোলা নিয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় ফয়সাল আহমেদ নামের এক কলেজশিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া কয়েকজন আহত হন। নিহত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এক যুবককে পুলিশ আটক করেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের আটকে অভিযান চলছে।’

Read full story at source