তেহরান ও ইস্পাহানে ইসরায়েলের হামলা কতটা তাৎপর্যপূর্ণ
· Prothom Alo

ইরানে ইসরায়েলের হামলার মূল লক্ষ্যবস্তু তেহরান। কারণ, শহরটি ইরানের রাজধানী এবং এখানে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত স্থাপনা রয়েছে, বিশেষ করে শহরের পশ্চিমাংশে। ওই এলাকায় অসংখ্য সামরিক ব্যারাক, সামরিক স্থাপনা এবং প্রতিরক্ষা-সংশ্লিষ্ট শিল্পপ্রতিষ্ঠান রয়েছে।
Visit extonnews.click for more information.
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথভাবে আগ্রাসন শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এপ্রিলে যুদ্ধবিরতির আগে টানা ৪০ দিন ধরে পাল্টাপাল্টি হামলা চলে। ৪০ দিনের ওই যুদ্ধে প্রায় প্রতিদিনই তেহরানে হামলা হয়েছে, ইস্পাহানও প্রায় একই রকমভাবে আক্রান্ত হয়েছে।
ইরানের ইস্পাহানে বেশ কয়েকটি পারমাণবিক স্থাপনা এবং বহু সামরিক শিল্পকারখানা রয়েছে। শহরটিতে এমন একটি ঘটনাও ঘটেছে, যাকে ইরানি প্রতিবেদনে মার্কিন সামরিক অভিযানের একটি চেষ্টা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। ওই অভিযানের লক্ষ্য ছিল এমন একটি স্থাপনায় পৌঁছানো, যেখানে পারমাণবিক উপাদান গোপনে মজুত করে রাখা হয়েছে বলে যুক্তরাষ্ট্র ধারণা করেছিল। তাই এটিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং কৌশলগতভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি স্থান।
তেহরানকে রাজধানী করার আগে ইস্পাহান ছিল ইরানের রাজধানী। এটি দেশটির অন্যতম বৃহৎ শিল্পকেন্দ্র এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রধান অঞ্চলগুলোর একটি। তাই এসব স্থান কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, পাশাপাশি এর প্রতীকী গুরুত্বও অনেক বেশি।
ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ইরানেরএই হামলার মাধ্যমে ইসরায়েল একটি স্পষ্ট বার্তা দিতে চেয়েছে। ইসরায়েল দেখাতে চেয়েছে, প্রয়োজন হলে তারা ইরানের রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতেও আঘাত হানতে সক্ষম।
অন্যদিকে ইরান কেবল উত্তর ইসরায়েলে হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েলের দাবি, তাতে উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।