যেভাবে সিটি ব্যাংকের ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি প্রোগ্রামে সুযোগ হলো

· Prothom Alo

সদ্য স্নাতকদের নিয়োগ দেওয়ার জন্য করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিভিন্ন প্রকল্প আছে। সিটি ব্যাংকের যেমন আছে ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি প্রোগ্রাম। এই প্রকল্পের মাধ্যমেই বিশ্ববিদ্যালয়জীবন শেষে সরাসরি কর্মজীবনে পা রাখার সুযোগ পেয়েছেন মেহরীন নাওয়ার চৌধুরী। পড়ুন তাঁর অভিজ্ঞতা।

একজন ফ্রেশারের জন্য একাডেমিক জীবন থেকে পেশাদার জীবনে প্রবেশের এই পরিবর্তনটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। সংবেদনশীলও বটে। সিটি ব্যাংকের ১২ মাসের বিস্তৃত ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি প্রোগ্রামটি নতুন পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে আমাদের দারুণভাবে সাহায্য করেছে। এখানে ব্যাংকের প্রতিটি বিভাগের ওপর বিস্তারিত প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। আবার প্রশিক্ষণের পরই থাকে দুই ধাপের মূল্যায়ন প্রক্রিয়া। ফলে ব্যাংকের সামগ্রিক কার্যক্রম ও পরিচালন প্রক্রিয়া সম্পর্কে একটি শক্তিশালী মৌলিক ভিত্তি তৈরি হয়েছে। ক্লাসরুমের তাত্ত্বিক জ্ঞান আর বাস্তব কর্মপদ্ধতি যে কতটা আলাদা, তা এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে কাছ থেকে দেখার সুযোগ পেয়েছি। সবচেয়ে বড় ইতিবাচক দিক হলো সরাসরি শীর্ষ ব্যবস্থাপনার দিকনির্দেশনা। ব্যাংকের শীর্ষ পর্যায়ের নির্বাহী ও নানা বিভাগের প্রধানদের কাছ থেকে সরাসরি মেন্টরশিপ পেয়েছি। এতে আমাদের পেশা ও ব্যক্তিজীবন সম্পর্কে শেখার প্রক্রিয়া অনেকটা গতি পেয়েছে। এ ছাড়া প্রত্যেক এমটিওর জন্য নির্দিষ্ট ‘বাডি’ ও ‘মেন্টর’, মানে কর্মস্থলে সিনিয়র কর্মীর অধীনে কাজের সুযোগ থাকায় পুরো যাত্রাটা অনেক সহজ হয়েছে।

Visit asg-reflektory.pl for more information.

অভিজ্ঞতা ছাড়াই চাকরি দেয় এই ১১ প্রতিষ্ঠান, বেতন ৫০ হাজারের বেশি

২০২৫ সালের আগস্টে আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ থেকে ফিন্যান্সে স্নাতক শেষ করি। বিশ্ববিদ্যালয় পড়ার সময় মেন্টরসে শিক্ষকতা করেছি। পরে সেখানকার ব্রাঞ্চ কো-অর্ডিনেটর হিসেবে ব্যবহারিক কাজের সুযোগ হয়েছে। এসব অভিজ্ঞতা আমার ব্যবস্থাপনা–সংশ্লিষ্ট দক্ষতা বাড়াতে সাহায্য করেছে।

ক্যারিয়ারের শুরুতে এমন একটি চাকরির সুযোগ খুঁজছিলাম, যেখানে শেখার পরিধি অনেক বড় হবে। ২০২৫ সালের জুন মাসে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ক্যাম্পাসে মিট দ্য সিইও’ নামের একটি মাস্টার ক্লাসে হাজির হন সিটি ব্যাংক পিএলসির এমডি ও সিইও মাসরুর আরেফিন। সেই ক্লাসে তাঁর বক্তব্য শোনার সুযোগ পাই। পরে ব্যাংকের চমৎকার পরিবেশ দেখেই সিটি ব্যাংকে আবেদনের সিদ্ধান্ত নিই। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা শেষে নিয়োগ পাই।

সিটি ব্যাংকের এমটিও মূলত একটি ‘ফাস্ট-ট্র্যাক ক্যারিয়ার’ যাত্রা। যাঁরা পেশাগত জীবনে দ্রুত এগিয়ে যেতে চান, চ্যালেঞ্জিং পরিবেশে শিখতে পছন্দ করেন, তাঁদের জন্য এটি একটি চমৎকার সুযোগ। আমি সিটি ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগে ব্যাংকের নানা বিষয় সম্পর্কে কাজ শিখছি। একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান কীভাবে কাজ করে, তা দেখছি। ক্লাসরুমে আমরা অনেক কিছু তাত্ত্বিকভাবে শিখি, সেই তাত্ত্বিক বিষয়গুলোর এখন ব্যবহারিক প্রয়োগ দেখছি। নতুন কর্মী হিসেবে প্রায় সবকিছু নিয়েই আমাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এসব শেখা শেষে আমরা বিভিন্ন দায়িত্বশীল বিভাগে কাজ শুরু করব।

আমার সঙ্গে আরও কয়েকজন এমটিও যোগ দিয়েছেন। একেকজন একেক বিশ্ববিদ্যালয়ের। একসঙ্গে প্রশিক্ষণের কারণে আমাদের দলগতভাবে কাজের দক্ষতার সুযোগ তৈরি হচ্ছে। আরেকটা বিষয় হচ্ছে, প্রথম থেকেই আমরা ‘ওয়ার্ক–লাইফ ব্যালান্স’ (কর্ম ও ব্যক্তিগত জীবনের ভারসাম্য) থেকে শুরু করে করপোরেট জীবনে সফল হওয়ার বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জানতে পারছি।

ক্লান্ত হলেও কাজে মনোযোগ ধরে রাখার কার্যকর ৬ উপায়

Read full story at source