ফার্মগেটে চাঁদাবাজির প্রতিবাদে এনসিপির উদ্যোগে বিক্ষোভ কর্মসূচি

· Prothom Alo

রাজধানীর ফার্মগেট এলাকায় চাঁদাবাজির প্রতিবাদ এবং হামলায় আহত ব্যক্তিদের প্রতি সংহতি জানিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উদ্যোগে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। আজ বুধবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে তেজগাঁও কলেজের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

Visit asg-reflektory.pl for more information.

এনসিপির নেতারা অভিযোগ করেন, গতকাল মঙ্গলবার রাতে ফার্মগেটের ইন্দিরা রোড এলাকায় চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করায় তাঁদের নেতা–কর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে বেশ কয়েকজন আহত হন। এ ঘটনায় তেজগাঁও কলেজ শাখা ছাত্রদলের নেতা–কর্মীরা জড়িত বলে অভিযোগ করেন তাঁরা।

বিক্ষোভ কর্মসূচিতে ২৭ নম্বর ওয়ার্ড এনসিপির সদস্যসচিব আওলাদ হোসেন বলেন, হামলায় তিনি চোখসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত পেয়েছেন। তাঁর দাবি, গতকাল তারাবিহর নামাজের পর ইন্দিরা রোডে তেজগাঁও কলেজের কয়েকজন চাঁদাবাজির চেষ্টা চালান। এর প্রতিবাদ করলে ৬০ থেকে ৭০ জনের একটি দল এসে তাঁদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান। হামলাকারী ব্যক্তিরা দেশীয় ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। বর্তমানে তিনি নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত বলেও জানান।

কর্মসূচিতে সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বক্তারা বলেন, অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় নিরীহ মানুষ ও রাজনৈতিক কর্মীদের ওপর হামলা গ্রহণযোগ্য নয়। তাঁদের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে কয়েকজনকে গুরুতর জখম করা হয়েছে। উপস্থিত আহত ব্যক্তিরা নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

এনসিপির শিল্পাঞ্চল থানার প্রধান সমন্বয়কারী মো. হারুন বলেন, সরকার চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিলে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। তিনি এলাকা থেকে চাঁদাবাজি নির্মূলের হুঁশিয়ারি দেন।

কর্মসূচিতে ১১–দলীয় জোটের শরিক দলগুলোর নেতারা সংহতি জানান। তাঁরা বলেন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও সহিংসতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। একই সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি দাবি জানান।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ঢাকা মহানগর উত্তরের সহসাংগঠনিক সম্পাদক মো. নুর আমিন খান, তেজগাঁও থানা এনসিপির নেতারা এবং শেরেবাংলা নগর থানার প্রধান সমন্বয়কারী হামিদুর রহমান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা বলেন, জনগণের অধিকার রক্ষায় দলটি ভবিষ্যতেও আন্দোলন চালিয়ে যাবে।

Read full story at source